বর্ষা এলেই ব্যাগে ছাতা রাখা যেন দৈনন্দিন জীবনের অংশ। তবে সময়ের সঙ্গে ছাতার ব্যবহারেও এসেছে পরিবর্তন। বৃষ্টি থেকে সুরক্ষার পাশাপাশি এখন পোশাক, রুচি ও ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মিলিয়ে ছাতা বেছে নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।
বাজারে একরঙা ছাতার পাশাপাশি পাওয়া যাচ্ছে ফুলেল, জ্যামিতিক, কার্টুন, মিনিমাল ও নানা ধরনের প্রিন্টের ডিজাইন। কালো, নেভি বা ধূসর রঙের পাশাপাশি প্যাস্টেল ও উজ্জ্বল রঙের ছাতাও তরুণদের পছন্দে জায়গা করে নিয়েছে।
বর্ষার ফ্যাশনে স্বচ্ছ ছাতারও রয়েছে আলাদা আকর্ষণ। পোশাকের রং আড়াল না করায় বিভিন্ন ধরনের পোশাকের সঙ্গে সহজেই মানিয়ে যায় এটি। ছবি তোলার ক্ষেত্রেও স্বচ্ছ ছাতা অনেকের পছন্দ।
শহুরে জীবনে ছোট ভাঁজ করা ছাতার ব্যবহারও বেড়েছে। ব্যাগে সহজে রাখা যায় বলে অফিস, বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা দৈনন্দিন যাতায়াতে এগুলো বেশ সুবিধাজনক। শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ থেকে শুরু করে ক্যাজুয়াল বা ফরমাল পোশাক—সব ধরনের সাজের সঙ্গেই মানানসই ছাতা বেছে নেওয়া সম্ভব।
এমনকি ছাতার হাতলের নকশাতেও এসেছে বৈচিত্র্য। কাঠের মতো হাতল, বাঁকানো ডিজাইন কিংবা মিনিমাল স্টাইল ছাতাকে দিয়েছে আলাদা নান্দনিকতা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও এই পরিবর্তনে ভূমিকা রাখছে। বর্ষার ছবি ও ভিডিওতে ছাতা এখন অনেক সময় সাজের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হয়ে উঠছে।
তবে ফ্যাশনের পাশাপাশি ছাতা কেনার সময় এর টেকসই উপাদান, বাতাসে স্থায়িত্ব, পানি প্রতিরোধ ক্ষমতা ও বহনের সুবিধা বিবেচনা করাও জরুরি।
বর্ষার ছাতা তাই এখন শুধু বৃষ্টির বিরুদ্ধে ঢাল নয়; এটি হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত রুচি ও স্টাইল প্রকাশের ছোট্ট এক অনুষঙ্গ।
0 Comments