Header Ads Widget

Responsive Advertisement

কুড়িগ্রামে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পানিবন্দি ১০ হাজার মানুষ

 কুড়িগ্রামে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পানিবন্দি ১০ হাজার মানুষ


উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির প্রভাবে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে জেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। বহু কাঁচা সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে এবং বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, দুধকুমার নদীর পানি কমতে শুরু করলেও এখনও তা বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে ব্রহ্মপুত্র নদ স্থিতিশীল থাকলেও ধরলা ও তিস্তা নদীর পানি ধীরে ধীরে কমছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় নদীতীরবর্তী এলাকার শত শত পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়েছে। অনেক পরিবার গবাদিপশু ও প্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে উঁচু স্থান এবং ওয়াপদা বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে।

সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের নামা কাচিচর এলাকার বাসিন্দা শাহিদা বেগম বলেন, হঠাৎ করেই বন্যার পানি ঘরে ঢুকে পড়েছে। ঘরের জিনিসপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে ব্যস্ত থাকায় রান্নাও করা সম্ভব হয়নি। ছোট সন্তানদের নিয়ে তিনি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।




একই এলাকার বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম জানান, বাড়ির চারপাশ ও ঘরের ভেতর পানি উঠে যাওয়ায় গরু-ছাগল নিয়ে ওয়াপদা বাঁধে আশ্রয় নিতে হয়েছে। সন্তানদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও জানান তিনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় এখনো প্রশাসনের দৃশ্যমান তৎপরতা পর্যাপ্ত নয়। দ্রুত ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, সকাল থেকে নদ-নদীর পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তবে পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী আরও তিন দিন নদীর পানি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তাহাদ নিউজ ২৪ ডেস্ক

Post a Comment

0 Comments