Header Ads Widget

Responsive Advertisement

শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় রোববার

 শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় রোববার


নিচে সংবাদটি পেশাদার সংবাদভাষায় পুনর্লিখন করা হলো:

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলার বহুল আলোচিত রায় আগামী রোববার (৭ জুন) ঘোষণা করা হবে। ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় প্রদান করবেন।

রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তাই তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করছে রাষ্ট্রপক্ষ।

শনিবার (৬ জুন) রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, তদন্ত ও সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে শিশু রামিসা হত্যার অভিযোগ প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে। আদালত ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমুল্যাহ বলেন, তারা আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার গত ১৯ মে সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর প্রতিবেশী স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজের কক্ষে নিয়ে যান। পরে শিশুটিকে খুঁজতে গিয়ে তার বাবা-মা আসামিদের কক্ষের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান।

ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করলে সেখানে শিশুটির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় প্রধান আসামি সোহেল রানাকে।

ঘটনার পরদিন ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়।

একই দিনে আদালতে সোহেল রানা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরবর্তীতে তদন্ত শেষে ২৪ মে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় এবং ট্রাইব্যুনাল তা গ্রহণ করেন।

মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয় এবং যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য ৭ জুন দিন ধার্য করেন।

এদিকে আলোচিত এ মামলার রায়কে ঘিরে জনমনে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। নিহত শিশুর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রত্যাশা করছেন।

— তাহাদ নিউজ ২৪ ডেস্ক

Post a Comment

0 Comments