Header Ads Widget

Responsive Advertisement

প্রতিদিন টক দই খেলে মিলতে পারে যে ১০ উপকার

 


সুষম খাদ্যতালিকায় টক দই হতে পারে পুষ্টিকর একটি খাবার। এতে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন বি৬ ও বি১২সহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। পাশাপাশি জীবন্ত উপকারী ব্যাকটেরিয়া বা প্রোবায়োটিক থাকলে তা অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্যও সহায়ক হতে পারে।

১. দুধের তুলনায় সহজে সহ্য হতে পারে
দই তৈরির সময় ব্যাকটেরিয়ার গাঁজন প্রক্রিয়ায় দুধের কিছু ল্যাকটোজ ভেঙে যায়। ফলে ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতার কারণে দুধে অস্বস্তি হওয়া কিছু মানুষ টক দই তুলনামূলক ভালোভাবে সহ্য করতে পারেন।

২. হজমে সহায়তা করতে পারে
টক দইয়ের প্রোবায়োটিক অন্ত্রের উপকারী জীবাণুর ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। এতে কিছু মানুষের হজমের অস্বস্তি কমতে পারে।

৩. রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সহায়তা করতে পারে
টক দইয়ের পুষ্টি উপাদান ও প্রোবায়োটিক শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সমর্থন করতে পারে।

৪. হাড় ও দাঁতের জন্য উপকারী
ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস হাড় ও দাঁতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। টক দই এসব খনিজের ভালো উৎস হতে পারে।

৫. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে
চিনি ছাড়া বা কম চিনি দেওয়া টক দইয়ে প্রোটিন থাকায় এটি কিছুটা সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করতে পারে। ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমতে পারে।

৬. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক খাদ্যাভ্যাসের অংশ
টক দইয়ে থাকা পটাশিয়াম শরীরে সোডিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। তাই স্বাস্থ্যকর ও কম লবণযুক্ত খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে।

৭. হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে
কম চর্বিযুক্ত টক দই সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে হৃদ্‌স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে জায়গা পেতে পারে।

৮. অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে
প্রোবায়োটিকসমৃদ্ধ টক দই অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এটি কোনো হজমজনিত রোগের চিকিৎসা নয়।

৯. শরীরে প্রোটিন জোগাতে পারে
টক দইয়ের প্রোটিন পেশি, কোষ ও বিভিন্ন টিস্যুর স্বাভাবিক গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করতে পারে।

১০. ত্বকের যত্নে ব্যবহার করা হয়
টক দই ঘরোয়া ত্বকের যত্নে অনেকে ব্যবহার করেন। তবে সংবেদনশীল ত্বকে কোনো ঘরোয়া উপাদান ব্যবহারের আগে সতর্ক থাকা উচিত।

কীভাবে খাবেন?

নিয়মিত খাওয়ার জন্য চিনি ছাড়া বা কম চিনি দেওয়া টক দই বেছে নেওয়া ভালো। ফল, ওটস বা বাদামের সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন। বাজারের ফ্লেভারড বা মিষ্টি দই কেনার আগে অতিরিক্ত চিনি আছে কি না, পুষ্টি লেবেল দেখে নেওয়া ভালো।

মনে রাখবেন: কোনো একটি খাবারই সুস্থ থাকার নিশ্চয়তা দেয় না। সুষম খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম ও নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমের পাশাপাশি পরিমিত টক দই খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।

তাহাদ নিউজ ২৪ ডেস্ক

Post a Comment

0 Comments